হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published জুলাই ২১, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করা হবে না, স্পষ্ট জানালেন ট্রাম্প

By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বেঙ্গল টাইমস

IMG_8384

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্র সফরে এলে তাকে কোনোভাবেই গ্রেপ্তার করা হবে না।

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়ে আইনি পদক্ষেপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার কথা বলার পর ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে নেতানিয়াহুকে কোনোভাবেই গ্রেপ্তার করা হবে না।” তিনি আরও দাবি করেন, নেতানিয়াহু এমন একটি শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছেন, যারা হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ এবং মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

এর আগে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহুকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তিনি নিউইয়র্কে এলে স্থানীয় আইন অনুযায়ী কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে সিটি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইনি পরামর্শ চলছে। একই সঙ্গে তিনি নেতানিয়াহুকে আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থার আওতায় আনার পক্ষে মত দেন।

মেয়রের এ বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এক বিবৃতিতে তারা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করে আদালতটিকে ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

ইসরায়েলের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—কোনো দেশই আইসিসির এখতিয়ারের আওতায় পড়ে না।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নভেম্বরে গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তবে ইসরায়েল শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির রোম সংবিধির সদস্য নয়। ফলে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করে নেতানিয়াহুকে আটক করার কোনো আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবাধকতা যুক্তরাষ্ট্রের নেই। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই অবস্থানকেই আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।নেতানিয়াহুকে ঘিরে এই বিতর্ক আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।