হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published আগস্ট ১৯, ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান বাজানো নিয়ে পুলিশ-মাদ্রাসাছাত্র সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৩০

By স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:

c1e045b1-99c1-43bf-babe-cda4c9ad502d

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও স্থানীয় মাদ্রাসাছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘাতে পুলিশ সদস্য ও মাদ্রাসাছাত্রসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ে। পরে পণ্ড হয়ে যায় পুলিশের পূর্বনির্ধারিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকায় অবস্থিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন্স প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর সফর উপলক্ষে পুলিশ লাইন্সে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এর পাশেই অবস্থিত দারুল আরকাম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বুধবার পরীক্ষা থাকায় উচ্চস্বরে গান বাজানোর কারণে তাদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

এ সময় মাদ্রাসাছাত্ররা মাইকের শব্দ কমানোর অনুরোধ করেন। প্রথমে শব্দ কমানো হলেও পরে আবার তা বাড়িয়ে দেওয়া হলে এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায়ে শতাধিক শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভেতরে প্রবেশ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। এর জবাবে শিক্ষার্থীদের একাংশ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে বলে জানা গেছে।

পরে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে পুলিশ সদস্য ও মাদ্রাসাছাত্রসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল এবং শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।ঘটনার পর দারুল আরকাম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদ জানান। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন। দাবি পূরণ না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।ঘটনার পর থেকে পশ্চিম মেড্ডা ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।