হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published জুলাই ২৭, ২০২৬

মিয়ানমারে বেসামরিক নাগরিক হত্যা বেড়েছে, কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেও সতর্ক করল পর্যবেক্ষক সংস্থা

By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বেঙ্গল টাইমস

IMG_8469

মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ড উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে বলে সতর্ক করেছে সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা প্রজেক্ট (ACLED)। দেশটিতে আঞ্চলিক কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হলেও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ACLED জানায়, ২০২৬ সালের মার্চে নতুন সামরিক নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বেসামরিক জনগণের ওপর বিমান হামলা, গণহত্যা এবং অন্যান্য প্রাণঘাতী অভিযানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে অন্তত এক ডজনের বেশি গণহত্যার ঘটনায় ৪৫০-এরও বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহতদের প্রায় ৪০ শতাংশই দেশটির মধ্যাঞ্চলের আনইয়ার (Anyar) অঞ্চলের বাসিন্দা। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান মিন অং হ্লাইং রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন সামরিক নেতৃত্ব ক্ষমতা আরও সুসংহত করার চেষ্টা করছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ও সংঘাতপূর্ণ এলাকায় বিমান হামলা এবং কঠোর সামরিক অভিযান বাড়ানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মিয়ানমারের সামরিক সরকার ভারত, চীন, থাইল্যান্ডসহ আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং আসিয়ানের সঙ্গেও সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এসব কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সমান্তরালে দেশটির অভ্যন্তরে সহিংসতা অব্যাহত থাকায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।

ACLED-এর মূল্যায়নে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বেসামরিক জনগণের জন্য স্বস্তির কোনো সম্ভাবনা খুবই সীমিত। 

সামরিক জান্তা মূলত নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করতেই মনোযোগ দিচ্ছে, ফলে সংঘাত এবং মানবিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।