হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published জুলাই ১৬, ২০২৬

কিশোরগঞ্জে মিঠামইন উপজেলা বিএনপি সভাপতি (সাময়িক পদ স্থগিত) জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে হত্যা, কর্মী গুরুতর আহত

By স্টাফ রিপোর্টার | বেঙ্গল টাইমস

ffc1a165-8b35-40d6-a455-2839f516fec7

কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি (সাময়িক পদ স্থগিত) জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীর (৫২) দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা বিএনপি কর্মী হাদিস মিয়াও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বাজার থেকে ফেরার পথে হামলা

মিঠামইন উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আবদুল আওয়াল জানান, রাতে সাংগঠনিক কাজ শেষে স্থানীয় বাজার থেকে কর্মী হাদিস মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন জাহাঙ্গীর।

বাড়ির অদূরে পৌঁছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা ৩ থেকে ৪ জন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত তাঁদের পথরোধ করে।এরপর হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদের দুজনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু

স্থানীয়রা চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করেন।

প্রথমে তাঁদের কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আনন্দ বসাক বলেন,

“রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীর হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান। আহত হাদিস মিয়াকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”

জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান

হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করে। কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বেঙ্গল টাইমসকে বলেন,“ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।”এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা।হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।