হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published আগস্ট ১৫, ২০২৬

গ্যাস সংকট কাটাতে অবকাঠামো উন্নয়নে দুই বছর সময় লাগবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

By বেঙ্গল টাইমস ডেস্ক, প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬

IMG_9023

দেশের শিল্পখাতে চলমান গ্যাস সংকট দ্রুত সমাধানে সরবরাহ ও আমদানি অবকাঠামোর সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে। তবে এ সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করছে সরকার।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে সিলেটে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জেলা পর্যায়ের বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও আগের বছরের কার্যক্রম মূল্যায়নবিষয়ক এক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহের ঘাটতি দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা। এ সংকট মোকাবিলায় শুধু সাময়িক ব্যবস্থা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে গ্যাস আমদানি এবং দেশের অভ্যন্তরে তা সরবরাহের সক্ষমতা বাড়াতে সরকার কাজ করছে।

তিনি জানান, গ্যাসের চাহিদা মেটাতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আমদানি করা গ্যাস দ্রুত ও কার্যকরভাবে দেশের শিল্পাঞ্চলে পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

মুক্তাদির বলেন, অবকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ সম্পন্ন হতে আনুমানিক দুই বছর সময় লাগতে পারে। এই সময়টি শিল্পখাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রচলিত ব্যবস্থার পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প কোনো উপায়ে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো যায় কি না, সেটিও সরকার বিবেচনা করছে।

এ সময় সম্ভাব্য একটি বিকল্প উদ্যোগের কথাও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান পেট্রোনাসের কাছ থেকে বড় জাহাজে এলএনজি এনে সাগরে ছোট জাহাজে স্থানান্তরের মাধ্যমে দেশে সরবরাহ বাড়ানোর একটি পদ্ধতি নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সময়ে শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার বিভিন্ন বিকল্প ব্যবস্থা খতিয়ে দেখছে।

সিলেটের কর্মশালায় কৃষি অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় জেলার কৃষি উন্নয়ন পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আগের বছরের কার্যক্রমের অগ্রগতি মূল্যায়ন নিয়েও আলোচনা হয়।