হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬

ঢাবি: ৪ শিক্ষক বরখাস্ত, নারী হলের গেট বন্ধের সময় বাড়াল সিন্ডিকেট

By ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

39e00990-b2ef-49ca-9ffd-c740c2423cd6

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চার শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পাশাপাশি আরও এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া নারী শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশের সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ানোসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্তগুলো গৃহীত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকরা হলেন— শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান লিটু এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এদের বিরুদ্ধে পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।

এ ছাড়া স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ডিগ্রি না থাকায় সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. শবনম জাহানের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিন্ডিকেট।

ডাকসু ও অন্যান্য সিদ্ধান্তএকই সিন্ডিকেট সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানকে ২০১৯ সালের ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

নারী হলের সময়সীমা বৃদ্ধি

বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হলের প্রধান গেট বন্ধের সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে রাত ১০টার পরিবর্তে রাত ১১টা পর্যন্ত নারী শিক্ষার্থীরা হলে প্রবেশ করতে পারবেন।

সিন্ডিকেটের এসব সিদ্ধান্তের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে,

শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও একাডেমিক পরিবেশ বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।