দেশে হামে ও হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৬৯৮
By নিজস্ব প্রতিবেদক | বেঙ্গল টাইমস
দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪৫ জন শিশু। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে অভিভাবকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন আক্রান্ত ৯৪৫ জনের মধ্যে ৫২ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম নিশ্চিত হয়েছে এবং বাকি ৮৯৩ জন হামের উপসর্গে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন।
এছাড়া গত একদিনে ৮৬০ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৯০৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৬ হাজার ৬৫৩ জনে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে ১১ হাজার ৪৪২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬০৫ জন শিশু এবং নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে আরও ৯৩ জন। ফলে গত সাড়ে তিন মাসে হাম ও হামের উপসর্গ মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯৮ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, এ সময়ের মধ্যে হামে আক্রান্ত বা উপসর্গযুক্ত মোট ৮০ হাজার ৪৯৭ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো টিকা না পেলে শিশুদের মধ্যে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই শিশুদের সরকারি সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে হাম প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ।
সময়মতো টিকা না পেলে শিশুদের মধ্যে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই শিশুদের সরকারি সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে হাম প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নজরদারি জোরদার করেছে। আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
- স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
- তবে বর্তমান
- পরিস্থিতিতে
অভিভাবকদের
সচেতনতা ও
সতর্কতাই শিশুদের সুরক্ষার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।