হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published আগস্ট ৮, ২০২৬

ঢাকায় পালিত হলো ৮১তম হিরোশিমা দিবস, শান্তির বার্তা নিয়ে স্মরণ পরমাণু হামলায় নিহতদের

By বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদক | ঢাকা

IMG_8817

পরমাণু বোমা হামলায় নিহতদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ এবং যুদ্ধ ও পারমাণবিক ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহতা থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শিক্ষা দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে ঢাকায় পালিত হয়েছে ৮১তম হিরোশিমা দিবস।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলায় নিহত লাখো মানুষের স্মরণে আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে শান্তি, মানবতা ও পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্বের আহ্বান জানানো হয়।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে স্মরণ অনুষ্ঠান

দিবসটি উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে বিশেষ স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচিতে ছিল আলোকচিত্র প্রদর্শনী, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘সাদাকো অ্যান্ড দ্য থাউজ্যান্ড পেপার ক্রেনস’ পাঠ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং শান্তির প্রতীক হিসেবে শিক্ষার্থীদের হাতে সাদা কাগজের সারস তৈরি।

আয়োজনে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে হিরোশিমার ইতিহাস, পরমাণু হামলার ভয়াবহতা এবং শান্তির প্রয়োজনীয়তা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হয়।

মঞ্চে হিরোশিমা-নাগাসাকির ট্র্যাজেডি

এদিকে নাট্যদল স্বপ্নদলও তাদের দীর্ঘদিনের বার্ষিক আয়োজনের ধারাবাহিকতায় হিরোশিমা দিবস পালন করেছে।

২০০২ সাল থেকে চলে আসা এই আয়োজনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে মঞ্চস্থ হয় হিরোশিমা ও নাগাসাকির ভয়াবহ পরিণতি নিয়ে নির্মিত নাট্যপ্রদর্শনী।নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক পরিণতি, সাধারণ মানুষের ওপর পারমাণবিক হামলার ভয়াবহ প্রভাব এবং মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র তুলে ধরা হয়।

শান্তির প্রত্যয়

হিরোশিমা দিবসের এসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে আয়োজকরা নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাসের ভয়াবহ অধ্যায় তুলে ধরার পাশাপাশি যুদ্ধ ও পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন।

তাদের মতে, হিরোশিমার স্মৃতি কেবল অতীতের একটি трагедия নয়; বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শান্তি, মানবতা ও সহাবস্থানের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।

আয়োজকদের মতে, হিরোশিমার স্মৃতি নতুন প্রজন্মকে যুদ্ধের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ ও শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।দিবসটি পালনের মধ্য দিয়ে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ এবং বিশ্বজুড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।